ঢাকা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে ‘বীরপ্রতীক’ এবং তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ খেকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, আর আমার পাওয়ার কিছু নাই!

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০ অর্জন উপলক্ষে রোববার (১ নভেম্বর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন গোলাম দস্তগীর গাজী।

পাটমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি।


বিখ্যাত ক্র্যাক প্লাটুনের একজন যোদ্ধা হিসেবে দুঃসাহসিকতার সঙ্গে বিভিন্ন সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০ প্রদান করেছেন।
গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, পিতার হাত থেকে পুরস্কার, কন্যার হাত থেকে পুরস্কার- দুটিই আমি পেয়েছি।


এরকম ভাগ্য কার আছে? আর আমার পাওয়ার কিছু নাই!’
গত বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ তুলে দেওয়া হয় পাটমন্ত্রীসহ নয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পুরস্কার তুলে দেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবর্ধনা পেয়ে গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, স্বাধীনতা পুরস্কার আমাকে দেশ গঠনের কাজে আরো অনুপ্রাণিত করছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজীবন কাজ করে যাব। দেশের উন্নয়ন যেন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, এটাই সবার কাছে আমার কামনা।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে সোনার বাংলা গড়তে কাজ করছে সরকার।

অনু্ষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার প্রধানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।