দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।

চিরিরবন্দর থানার ওসি বজলুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনায় গৃহবধূর দায়ের করা মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমের ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার কিসমত নরসতপুর গ্রামের ঋষিকেশ রায়ের ছেলে দিলীপ রায় (২৩), রাজা বাসর গ্রামের মৃত মিরাজ আলীর ছেলে সোহেল রানা (২৫), ভূতপুকুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে নুর আলম (২২) ও জিকরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (২৮)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ নভেম্বর রাতে সাড়ে ৯ টায় উপজেলার রানীপুর ডাঙ্গাপাড়া এতিমখানায় ইসলামী মাহফিল শোনার জন্য যায় ভিকটিম। সেখানে আসামি মিজানুরের সাথে তার দেখা হয়। মিজানুরের সাথে তিনি রাণীরবন্দর চুলের ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকের কাজ করতেন। সে কারণে তার সাথে আগে পরিচয় ছিল। ভিকটিম মিজানুরের সাথে হেঁটে নসরাতপুর ফাঁকা জায়গায় নির্জন বাঁশঝাড়ে কাছে পৌঁছলে মিজানুর তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় আসামি দিলীপ রায়, সোহেল রানা ও নুর আলম তাদেরকে আটক করে। পরে কৌশলে মিজানুর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপরে ওই তিনজন ভিকটিমকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরেরদিন ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে থানায় এজাহার দাখিল করেন।