ঢাকা: বাংলাদেশেই করোনার টিকা উৎপাদনে চুক্তি সই হয়েছে। তবে কো-প্রোডাকশনে যেতে টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেডের আরও মাস তিনেক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জন (বিসিপিএস) মিলনায়তনে চীনের সিনোফার্ম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার টিকা উৎপাদনে ইনসেপ্টার প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। তাছাড়া চায়না থেকে টিকার বাল্ক আনতে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। এতে তিন মাসও লাগতে পারে, আবার বেশি সময়ও লাগতে পারে।

তিনি বলেন, চীনের সিনোফার্ম টিকা তৈরি করে বাল্কে দিবে, এরপর ইনসেপ্টা সেগুলোর ফিল্ড ফিনিস করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ইনসেপ্টা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই করোনার টিকা তৈরি করবে।

ইনসেপ্টার অনেক সক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যদি ১০ ডোজের প্রতি ভায়েল হয়, তবে প্রতি মাসে ৪ কোটি ডোজ বানাতে পারবে। কম থাকলে সেই হার কমে যাবে।

কতটুকু উৎপাদন করা যাবে? সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু অর্ডার দিলে চীন তা প্রস্তুত করে পাঠাবে।

তিনি বলেন, এখন তো আমরা কো-প্রোডাকশনে যাচ্ছি। চীন বাল্কে দিবে, আমরা প্রস্তুত করবো। পরের ধাপে আমরা ফর্মুলার পর্যায়ে যাব। বাংলাদেশ সরকার পিডিসিএলের মাধ্যমে নিজেও কিন্তু টিকা তৈরি করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এতে অনেকেই করোনা প্রতিরোধী টিকা তৈরি করবে। আমরা করোনা যুদ্ধে আরও শক্তিশালী হলাম। তবে জনমানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানা ও তা বজায় থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের হাতে ১ কোটি টিকা রয়েছে। এই মাসে আরও ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসবে।

দেশে উৎপাদিত টিকার দাম কত হবে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দামের বিষয়টি এখনও নির্ধারণ হয়নি। উৎপাদনের সময় তা নির্ধারণ করা হবে।