উজিরপুর প্রতিনিধিঃ প্রেম যে কি মধুর! কভু কাছে, কভু সুদূর কখনো জীবনে ফুল ফোটায়ে কাঁদিয়ে যায় সে দূর।প্রেম মানে না জাতপাত। এমন-ই ঘটনা ঘটেছে বরিশালের উজিরপুরে। গতকাল সোমবার সকালে প্রেমিকার পিতার অপহরণ মামলায় প্রেমিককে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে আদালত। স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানাযায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে বরিশালের উজিরপুর পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ডের পুলিন নন্দীর কলেজ পড়ুয়া কণ্যার সাথে নরসিংদী জেলার আলোকবালী এলাকার মুসলিম পরিবারের আব্দুল মোতালিব এর ছেলে আনোয়ার পাশার সাথে। সেই প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে গত ২১ জানুয়ারী কলেজ ছাত্রী সুবর্না নন্দী নরসিংদী থানার আলোকবালী এলাকার আনোয়ার পাশার সাথে পালিয়ে যায়। ওই দিনই
কলেজ ছাত্রী পিতা পুলিন নন্দী (৬০) থানায় একটি সাধারন ডায়রী করে। ডায়রী নং- ১০২৪। ডায়রী সূত্র ধরে উজিরপুর থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়া কলেজ ছাত্রী সুবর্না নন্দী ও আনোয়ার পাশাকে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার দাবাইদ্রাকপুর এলাকা থেকে গত ৩০ জানুয়ারী উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় প্রেমিকার বাবা পুলিন নন্দী বাদী হয়ে গতকাল সোমবার সকালে আনোয়ার পাশাকে আসামী করে একটি অপহরন মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় পুলিশ আনোয়ার পাশাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে। কলেজ ছাত্রীর বাবা পুলিন নন্দী জানান, , আমার মেয়ে সুবর্না নন্দীর সাথে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে আনোয়ার পাশা বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে বিরক্ত করা সহ তাহাকে ফুসলিয়ে ও ভুল বুঝিয়ে এবং বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরন করে। আনোয়ার পাশা বলেন, আমি সুবার্নাকে অপহরণ করিনি। আমরা দুজন দু’জনকে ভালোবাসি। তাই সুবর্না আমার কাছে ছুটে চলে আসে। সুবর্ণা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করার পরে তাকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ করি। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ জানান, কলেজ ছাত্রীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।