বাস-মিনিবাস বন্ধের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীরা ফরিদপুরের কোমরপুরে সমাবেশস্থল আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে আসতে শুরু করেছেন। ভবনটি বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

মাঠেই চলছে রান্নাবান্না। তাঁবু টানিয়ে তার নিচে চলছে গল্প-গুজব আর ঘুম। মাঝে মাঝে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠছে সমাবেশস্থল।

শনিবার (১২ নভেম্বর) ফরিদপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। সমাবেশ সফল করতে বুধবার (৯ নভেম্বর) রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে কয়েক হাজার নেতাকর্মী শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের মাঝখানে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ। মাঠে হাজারও নেতাকর্মী। একেকজন একেক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে প্রত্যেকেই আছেন ফুরফুরে মেজাজে।

মাঠের পশ্চিম পাশে নির্মাণ করা হয়েছে একটি টিনশেড। সেখানে রয়েছে পর্যাপ্ত চালের বস্তা, তেল ও রান্নার সামগ্রী। কয়েকজন নারীকে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ কাটতে দেখা যায়। পাশেই ১০টি ডেকচিতে রান্নার প্রস্তুতি চলছে।

রান্নার কাজে নিয়োজিত কাশেদ আলী, নুর ইসলাম ও হেলেনা বেগম জাগো নিউজকে জানান, একসঙ্গে দুই হাজার লোকের খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। খাবার শেষ হওয়ার আগেই আবার নতুন করে রান্নার আয়োজন চলছে। মালামালের কোনো কমতি নেই।

সারাদেশে বিভাগীয় গণসমাবেশের প্রধান সমন্বয়ক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, এই গণসমাবেশে লক্ষাধিক লোকের সমাগম হবে। সমাবেশস্থল থেকে শহর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হবে এমন প্রস্তুতিই তারা নিচ্ছেন। যেকোনো মূল্যে তারা গণসমাবেশ সফল করতে চান।বাস-মিনিবাস বন্ধের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীরা ফরিদপুরের কোমরপুরে সমাবেশস্থল আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে আসতে শুরু করেছেন। ভবনটি বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

মাঠেই চলছে রান্নাবান্না। তাঁবু টানিয়ে তার নিচে চলছে গল্প-গুজব আর ঘুম। মাঝে মাঝে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠছে সমাবেশস্থল।

শনিবার (১২ নভেম্বর) ফরিদপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। সমাবেশ সফল করতে বুধবার (৯ নভেম্বর) রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে কয়েক হাজার নেতাকর্মী শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের মাঝখানে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ। মাঠে হাজারও নেতাকর্মী। একেকজন একেক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে প্রত্যেকেই আছেন ফুরফুরে মেজাজে।

মাঠের পশ্চিম পাশে নির্মাণ করা হয়েছে একটি টিনশেড। সেখানে রয়েছে পর্যাপ্ত চালের বস্তা, তেল ও রান্নার সামগ্রী। কয়েকজন নারীকে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ কাটতে দেখা যায়। পাশেই ১০টি ডেকচিতে রান্নার প্রস্তুতি চলছে।

রান্নার কাজে নিয়োজিত কাশেদ আলী, নুর ইসলাম ও হেলেনা বেগম জাগো নিউজকে জানান, একসঙ্গে দুই হাজার লোকের খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। খাবার শেষ হওয়ার আগেই আবার নতুন করে রান্নার আয়োজন চলছে। মালামালের কোনো কমতি নেই।

সারাদেশে বিভাগীয় গণসমাবেশের প্রধান সমন্বয়ক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, এই গণসমাবেশে লক্ষাধিক লোকের সমাগম হবে। সমাবেশস্থল থেকে শহর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হবে এমন প্রস্তুতিই তারা নিচ্ছেন। যেকোনো মূল্যে তারা গণসমাবেশ সফল করতে চান।