জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমনের সংগীত আয়োজনে “বাংলাদেশের বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল” শিরোনামে গানটির কথা ও সুর করে সাড়াফেলেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিল্পী জসীম উদ্দীন।

ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি অনুরাগ।গ্রামে থাকা কালীন উস্তাত মানিক চন্দ্র মজুমদারের কাছে সংগীতে প্রাথমিক হাতে খড়ি হয়।পরিবার,শিক্ষক এবং বন্ধুদের অনুপ্রেরণায়, উৎসাহ পেয়েছেন জসীম।তিনি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার ভবানীপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেছেন।

জসীম উদ্দীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন।তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন,বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি টেলিভিশনগুলোর সংগীতানুষ্ঠানের নিয়মিত শিল্পী।

গানটি সম্পর্কে শিল্পী জসীম উদ্দীন বলেন, “হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ এর ৪ ঠা জানুয়ারি নিজ হাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে গান লেখা, সুর করা ও গাওয়া বিরাট সৌভাগ্যের ও গর্বের বিষয়।কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মানিত সভাপতি জনাব আল নাহিয়ান খান জয় ও সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব লেখক ভট্টাচার্য এর প্রতি।তাদের সার্বিক সহযোগীতা ও অনুপ্রেরণায় ৪ ঠা জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের এ ক্ষুদ্র নিবেদন। গানটির সংগীত আয়োজন করছেন শ্রদ্ধেয় শওকত আলী ইমন ভাই।সংগীত ক্যারিয়ারের শুরুতেই তার মত একজন জীবন্ত কিংবদন্তির সাথে কাজ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।”

তিনি আরও বলেন, এই গানটি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে সরাসরি শুনানোর সৌভাগ্য হয়েছিলো আমার।

গানটি সম্পর্কে প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন বলেন-“গানটির কথা ও সুর আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।গানটির কথা ও সুরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও রাজনৈতিক চেতনার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।শিল্পী গানটি খুব যত্ন করে গেয়েছেন।আশা করছি গানটি সবার ভালো লাগবে।”