বরিশালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাক্তারি রিপোর্ট জালিয়াতি করে মামলা দায়ের করায় বাদীর বিরুদ্ধে ওই আদালতের বিচারকের মামলা দায়ের করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পৌনে ১২ টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রুপারজোর গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমানকে আসামী করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-১ এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সিআর ৯৩৬/২১ কোতোয়ালি, ধারা ৪৬৬/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোর্ট। মামলা সূত্রে জানাযায়, বাকেরগঞ্জ উপজেলার রুপারজোড় গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমান বাদী হয়ে গত ৪ এপ্রিলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনকে আসামী করে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষর, সিল জালিয়াতি করে একটি নালিশী মামলা দায়ের করে। মামলার মূল ভিকটিম রেহানা বেগমের জখমি সনদ যাচাইয়ের জন্য সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম ১৪ সেপ্টেম্বর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২৮ সেপ্টেম্বর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মাহবুবুর রহমান আদালতে দাখিল করা সনদটি তার দেয়া না। ওই সনদটি ভুয়া ও জাল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। ২৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানির দিন বাদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এসময় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম ভুয়া ও জাল-জালিয়াতি করে আদালতে মামলা দায়ের করায় তিনি বাদী হয়ে মোঃ লুৎফর রহমানকে আসামী করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ মাসুম বিল্লাহ মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরন করার নির্দেশ দেয়। বরিশাল আদালতের জিআরও মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আদালতে দায়িত্বরত পুলিশ কর্তৃক আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।