বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র নৈপুণ্যতায় ব্যানার অপসারণ কেন্দ্র করে সংঘটিত হওয়া হামলার চার দিন পর পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অপরদিকে প্রশাসন ও পুলিশের করা মামলায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে সাদেক সমর্থক নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে মেয়রের ঘনিষ্ঠজনখ্যাত এক কাউন্সিলরকে ঢাকা থেকে সাদা পোশাকে তুলে নেওয়ার পর অনেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। বিরাজমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে আছেন বরিশাল নগরবাসী। সংঘর্ষের জেরে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্মচারীরা বর্জ্য অপসারণ বন্ধ করে দিয়েছেন। সিটি এলাকায় ২৪টি টিকাদান কেন্দ্র থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা চলে যাওয়ায় টিকাগ্রহীতাদের ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে কেন্দ্রগুলোয়। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে পুরো ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন মেয়র সাদিক।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের ৪২ উপজেলার চেয়ারম্যান ও ২৬ পৌরসভার মেয়র প্রশাসনের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে বরিশালে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ঘটনাটিকে আইনিভাবে মোকাবিলার পক্ষে আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহল। সে অনুযায়ী আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তাগাদাও দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি তার মনোভাবের কথা জানিয়ে বলেন, ঘটনায় যারা যারা জড়িত- তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম সরাসরি কিছু বলেননি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে তিনি দূরন্ত নিউজকে বলেন, আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, একজন কর্মকর্তার সঙ্গে একজন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তার পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়ে দ্বন্দ্ব। আমি মনে করি, নিজ নিজ অবস্থান থেকে এটিকে আইনিভাবে মোকাবিলার সুযোগ আছে। এ ছাড়া এখানে অন্য কোনো ইস্যু আছে কিনা তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ার আগ পর্যন্ত এ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।
তিনি বলেন, আমরা যার যার অবস্থানে আছি। আমাদের প্রত্যেকেরই একটি সীমারেখা আছে। সেই সীমারেখার বাইরে যাওয়ার চেষ্টাই হলো বিরাজনীতিকরণ। বিরাজনীতিকরণে ধাবিত হওয়া মানে গণতন্ত্রহীনতার দিকে উৎসাহিত করা। দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে আমাদের বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া থেকে সতর্ক থাকব। কারণ কেবল রাজনৈতিক প্রক্রিয়াই তো মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়।

এদিকে বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হামলা, উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনসার এবং পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের পর শনিবার সন্ধ্যায় প্রথম গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে সন্ধ্যায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও পুলিশের করা মামলার প্রধান আসামি সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাকে গ্রেপ্তারের জন্য বাসাবাড়ি ঘেরাও করার কোনো প্রয়োজন নেই। রাজনীতি যখন করি, গ্রেপ্তারের জন্য সব সময় রেডি আছি। আমি এই শহরের পরিচিত মুখ, থানা থেকে বলা হলে নিজেই হাজির হয়ে গ্রেপ্তার হব।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ আরও বলেন, ওই রাতে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল, তা উন্মোচন হওয়া দরকার। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন তিনি। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আমি চেয়ার ছেড়ে চলে যাব।

মেয়র সাদিক প্রশ্ন রেখে বলেন, ইউএনও মুনিবুর রহমান কি আওয়ামী লীগ করেন? তিনি আওয়ামী লীগের ব্যানার-পোস্টার অপসারণে বাধা প্রদানের কে? আমি আওয়ামী লীগ করি, দলীয় সিদ্ধান্ত আমি নেব।

ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে সাদিক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি- আমার বিরুদ্ধে সবাই মিলে বিশাল ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এ ঘটনা দীর্ঘদিনের, সেই ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ।

দলের এবং সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাবস্থায় গুরুতর দুটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি থাকাবস্থায় পদে থাকা সমীচীন কিনা, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টিতে দলের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দৃষ্টি রাখছেন।

অপরদিকে যার পোস্টার অপসারণ কেন্দ্র করে এ ঘটনা, বরিশাল সদর আসনের সেই সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। আমাদের সময়ের পক্ষ থেকে কয়েক দফা মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ইউএনও ও পুলিশের দায়ের করা পৃথক মামলায় শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুই মামলায় ৯৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা করায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে মামলার দুই নম্বর আসামি মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি মেয়রের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর বেশিরভাগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছেন।

এদিকে শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকা সিএমএম আদালত। শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। বিকালে র‌্যাব মান্নাকে আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে।

মোহাম্মদপুর থানার আদালতের নন জিআর শাখা থেকে জানা যায়, র‌্যাব তাকে আদালতে হাজির করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। পরে তাকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবন এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে বলে জানানো হয়।

বুধবারের ঘটনায় সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করে দুটি মামলা করায় বরিশাল নগরীতে তেমন একটা প্রতিবাদ না হলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এবং শুক্রবার সকালে ও বিকালে জেলার ১০ উপজেলায় মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে আওয়ামী লীগ। নগরীতে শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে একটি প্রতিবাদসভা করেছে মহিলা আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া শনিবার সকালে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যানার নিয়ে নগরীর টাউন হল চত্বরে মানববন্ধন করে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, দিনভর টান টান উত্তেজনার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে বরিশাল বিভাগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের জড়ো করে নিজের রাজনৈতিক শক্তি জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মেয়র সাদিক। শনিবার বিকালে বরিশাল বিভাগের ৪২ উপজেলা পরিষদের ৬৫ জন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৪২ পৌরসভার মেয়ররা বরিশাল ক্লাবে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন বিভাগীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। ইউএনওর অপসারণ, ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং মামলা দুটি প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে করা দুই মামলা প্রত্যাহার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অপসারণ করাসহ ঘটনার বিচার বিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ২৬ পৌরসভার মেয়ররা। একই সঙ্গে হামলার তিন ঘণ্টার পুরো ভিডিও জনগণের সামনে প্রকাশ করারও দাবি জানান তারা। পরে তারা সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেন। আজ বিভাগের সব উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকদের সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধিরা একাট্টা হচ্ছেন বলে জানায় স্থানীয়রা।

এদিকে প্রশাসন ও মেয়রের মুখোমুখি অবস্থানে বিব্রত আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কবির বিন আনোয়ার স্বাক্ষরিত বিবৃতির শব্দ চয়ন নিয়ে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা বলছেন, সরকারপ্রধানের নির্দেশে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী যখন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তখন এ রকম বিবৃতি শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ, প্রকারান্তরে ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অতীতেও নানা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, এখনো করছে। কিন্তু সম্প্রতি ‘উত্থাল বরিশাল’ ইস্যুতে তদন্ত নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে দায়ী করা এবং বিবৃতিতে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত’ শব্দ ব্যবহার করে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এ দুই নেতা জানান, এই বিবৃতি কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতাদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য জানান, তার জানামতে এই বিবৃতি নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনে তিনটি গ্রুপ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এ বিবৃতি দিতে চাননি। এই অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন কর্মকর্তা অতি উৎসাহী হয়ে এ বিবৃতি দিয়েছেন। ফলে শুধুই যে রাজনীতির বিপরীতে তারা দাঁড়িয়েছেন তা নয়, নিজেদের মধ্যেও কোন্দলে জড়িয়েছেন।

সেবাবঞ্চিত নগরবাসীঃ
একযোগে প্রতিরাতে বরিশাল নগরীর বর্জ্য অপসারণ করতেন সিটি করপোরেশনের কয়েকশ শ্রমিক, সেখানে চার দিন ধরে কোনো ধরনের বর্জ্য অপসারণ করছে না কেউ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ নগরবাসী। বিভিন্ন বাজারের সামনে ও সড়কের বিভিন্ন নির্দিষ্ট পয়েন্টে বাজার ও বাসাবাড়ির বর্জ্যরে স্তূপের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পচা দুর্গন্ধে সেখানে সাধারণ মানুষকে নাক চেপে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক হোসেন ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করছেন না।
তবে শনিবার সকালে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন শাখার সহকারী কর্মকর্তা রেজাউল করীম ও শফিকুল আজম অংশ নিয়ে বলেন, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলার সময় তাদের ওপর হামলা ও গুলি চালান উপজেলা পরিষদের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। ওই ঘটনায় মেয়রকে প্রধান আসামি করে দুটি মামলায় অজ্ঞাতনামা অনেককে আসামি করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে থাকার কারণে তারা কার্যক্রম থেকে বিরত আছেন। মামলা প্রত্যাহার না করা হলে কাজে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন পরিচ্ছন্নতা বিভাগের এ দুই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের শ্রমিকরা জানান, দুটি মামলায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ জ্ঞাত-অজ্ঞাত ৩-৪ শতাধিক আসামি করা হয়। তার পর তো এখন সিটি করপোরেশনের স্টাফরা একরকম পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কারণ সেখানে অনেকেই গিয়েছিলেন, আর অজ্ঞাত আসামির ক্ষেত্রে কাকে গ্রেপ্তার করা হবে, কাকে করা হবে না সেটিও বলা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশনের প্রভাবশালী কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নাসহ বেশকিছু লোকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। আর গত তিন রাতে পুলিশ অনেক স্টাফের বাসায়ই হানা দিয়েছে